সাংবাদিক মুক্তা মিয়ার বহুমাত্রিক পেশাগত সাফল্য ও সমাজসেবার দৃষ্টান্ত Mijanur Mijanur Rahman প্রকাশিত: ১:২০ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২০, ২০২৫ বিশেষ প্রতিনিধিঃ আবু নোহান ভুইঁয়া শ্যামল: সাংবাদিকতা, গার্মেন্টস সেক্টর, সামাজিক সংগঠন ও মানবকল্যাণ—এই চার ক্ষেত্রেই সমান দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে কাজ করে এক অনন্য অবস্থান তৈরি করেছেন সাংবাদিক মুক্তা মিয়া। দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, যোগ্যতা, নেতৃত্ব আর মানবিকতা—সব মিলিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন বহুমাত্রিক পেশাজীবীদের অনুপ্রেরণা। গার্মেন্টস সেক্টরে সফলতার দীর্ঘ যাত্রা ক্যারিয়ারের শুরুতে বঙ্গবাজারে গার্মেন্টস ব্যবসার মাধ্যমে পেশাজীবনের পথচলা শুরু করেন মুক্তা মিয়া। দ্রুতই তিনি কর্মদক্ষতা ও নৈতিকতার কারণে দেশের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকটি গার্মেন্টস গ্রুপে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য— প্রিন্স গ্রুপ – প্রশাসনিক কর্মকর্তা হামিম গ্রুপ – প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউনিয়ন গ্রুপ – গার্মেন্টস এক্সেসরিজ মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ জ্যোতি লেবেল এন্ড এক্সেসরিজ – ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোজাহের গ্রুপ (চট্টগ্রাম), ব্রাদার্স গার্মেন্টস – সেন্ট্রাল ম্যানেজার এশিয়ান গ্রুপ – সেন্ট্রাল স্টোর ম্যানেজার শুধু চাকরি নয়—গার্মেন্টস স্টক লট ব্যবসায়ও ছিলেন তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা। তার নিজস্ব ওয়ারহাউস থেকে ফিলিপাইন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে নিয়মিত স্টক লট শিপমেন্ট পাঠানো হতো, যা তাকে ব্যবসায়ী মহলে আলাদাভাবে পরিচিতি এনে দেয়। সাংবাদিকতায় অটুট প্রতিশ্রুতি ছাত্রজীবন থেকেই সক্রিয় ছাত্রনেতা মুক্তা মিয়া বর্তমানে সাংবাদিকতাকেই নিজের প্রধান পরিচয় হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বর্তমান পদ— ক্রাইম পেট্রোল ইনভেস্টিগেশন – সহ-সম্পাদক দৈনিক বঙ্গজননী – সহ-সম্পাদক ক্যাট জার্নালিস্ট কমিটি বাংলাদেশ – সদস্য সচিব তার লক্ষ্য—সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সত্য প্রকাশ, এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গণমাধ্যমের শক্তিশালী ভূমিকা নিশ্চিত করা। মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের সামনের সারির মানুষ মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে নির্ভীক অবস্থান নেওয়ার কারণে বারবার নানা ষড়যন্ত্রের মুখে পড়লেও থেমে যাননি মুক্তা মিয়া। সমাজকে মাদকমুক্ত ও নিরাপদ করতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। সম্প্রতি তার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে একটি স্বার্থান্বেষী চক্র মাদকসেবী ও দুর্নীতিবাজদের দিয়ে মানববন্ধনের আয়োজন করে। কিন্তু সাধারণ মানুষ এটিকে মানহানি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার হিসেবেই দেখছেন। বরং এতে আরও স্পষ্ট হয়েছে—মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে তিনি কতটা কার্যকর। পারিবারিক মূল্যবোধ ও মানবিকতা মুক্তা মিয়ার বাবা মরহুম আজিজার রহমান মাস্টার ছিলেন একজন সম্মানিত শিক্ষক এবং এলাকার শিক্ষাবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এক নিবেদিতপ্রাণ মানুষ। বাবার আদর্শই মুক্তা মিয়াকে গড়ে তুলেছে নীতিবান, পরোপকারী ও সমাজসেবায় নিবেদিত একজন মানুষ হিসেবে। তিনি নিজেও দানশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত। অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের কল্যাণে নিরলস কাজ করে তিনি নিজের জায়গা তৈরি করেছেন সাধারণ মানুষের হৃদয়ে। সাংবাদিক মুক্তা মিয়া শুধু একজন পেশাজীবী নন—তিনি একজন লড়াকু, দায়িত্বশীল এবং মানবিক সমাজকর্মী। মাদক, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তার সংগ্রাম এবং সাংবাদিকতার প্রতি তার নিষ্ঠা—সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের মূল্যবান উদাহরণ হয়ে থাকবে। তিনি বিশ্বাস করেন— “সত্যের পথে থাকলে বাধা আসবেই, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয় হবে ন্যায় ও সমাজের।” SHARES গণমাধ্যম বিষয়: